বাংলাদেশে বর্তমানে উৎপন্ন পাটির জাতগুলো সাধারণত উচ্চ পরিমাণে লিগনিন সম্পন্ন হয়। যা পার্টের আজকে টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহার করার পথে বিশেষ বাজার স্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়। পাটের সম্পূর্ণ জিনোম উদ্ধার হয়ে যাওয়ার পরে ডিজে আরআই এর ফাঙ্কশনাল জিনুক মিক্স দলটি লিগনিনের সঙ্গে জড়িত বিশেষ কিছু জিন শক্ত করতে পারবে। এর ফলে স্বল্প লিগবিন সম্বলিত উচ্চ গুণসম্পন্ন আস উৎপাদন করা সম্ভব। ছত্রাকের আক্রমণ পাট চাষের জন্য বিরাট হুমকি। শীত ও লবণ সহনশীল পাঠের জাত উদ্ভাবন করা গেলে অবিবাহিত জমি যেমন উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই পাট উৎপাদন করা সম্ভব হবে। যার ফলে নিট পাটের উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। বাংলাদেশ এই পাট দিয়ে বিদেশেও আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি পোশাক তৈরির খাতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।